বাস্তবতাকে পরিবর্তন করা যায়। আমার একটি প্রিয় মূহুর্ত হলো গত সপ্তাহের ইন পারসন মাস্টার ক্লাসের সময় যখন একজন ছাত্র আমার সাথে দেখা করলো এবং আমাকে বললো ভিন, “আমি বিশ্বাস করতে পারছি না আমি এটা করতে পারি। আমি এভাবে আমার কণ্ঠ কখনো ব্যবহার করিনি।“
আমাদের অসংখ্যকে ছাত্রকে আমরা পেয়েছি যারা এই স্টেজে এসেছেন এবং ভেঙে ফেলেছেন সে বাঁধন যা তাদেরকে পেছনে আটকে রাখতো।
ব্যাপারটা এমন, আমরা যেই হই না কেন, যে ব্যাকগ্রাউন্ড থেকেই আসি না কেন আমরা একটা ছাঁচের মধ্যে বাস করি-যা কিছুটা অন্যদের সৃষ্টি করা এবং কিছুটা না জেনে আমাদের নিজেদের সৃষ্ট।
আমরা আমাদের নিজেদেরকে যে ধরনের কথা বলে থাকি তা
“আমি খুবই বোরিং।”
“আমি আনক্যারিশম্যাটিক।”
“আমি আওয়াজ কখনোই কনফিডেন্ট শোনাবে না।“
“আমি যখন কথা বলি, তখন সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়।”
“ঠিক এমনই আমাকে শুনতে পাওয়া যায়”
কিন্তু আসল সত্যটা এখানে যে আপনি ভুল।
আপনি যেভাবে কমিউনিকেট করেন তা স্থায়ী কিছু নয়। “এটা পুরোপুরি আপনি নন।“ এটা হচ্ছে একটা বিহেভিয়ার এর সিরিজ। এবং এই বিহেভিয়ারটি মূহূর্তের মধ্যে বদলাতে পারে।
গত সপ্তাহে আমি দেখেছি মানুষের প্রকাণ্ড পদচারণা, তারা মাইক হাতে নিয়েছে, এবং তারা বদলে গিয়েছে কয়েক মিনিটের মধ্যে যখন তারা কমিউনিকেট করেছে। তারা স্টেজ থেকে নেমেছে ভীষণ শক্তিশালী হয়ে, অনুপ্রাণিত হয়ে এবং তারা নিজেরা হতবিহব্ল হয়ে গিয়েছিল এটা দেখে যে তারা নিজেরা এতটা যোগ্য।
কিন্তু এখানে একটা ব্যাপার আছে যা তারা উপলব্ধি করেনি, আর সেটা হলো যে পরিবর্তনটা তারা তৈরী করেছে এটা শুধুমাত্র তাদের কারণে হয় নি।
ঐ মূহুর্তগুলোতে তারা এমন কিছু করেছিলো যা ছিল অনেক অর্থবহ। এবং তারা অনুপ্রাণিত করেছিল সকলকে যারা ঐ মূহুর্তে হল্রুমে উপস্থিত ছিল।
এটা হচ্ছে ভীষণ শক্তিশালী একটি তরঙ্গপ্রভাব যা কিনা অনবদ্য সাহস এনে দেয় নিজের আলোটি জ্বালিয়ে দেয়
যখন আপনি একটি পা সামনে আগালেন এবং ভেঙ্গে ফেললেন আপনার পুরোনো ছাঁচ, তখন আপনি অন্যকেও সেই অনুমতিটা দিয়ে দিলেন সেই একই কাজ করবার জন্য।
আমি ভীষণ সম্মানিত ছিলাম তাদেরকে গাইড করতে পেরে। কিন্তু সত্যিকারের কৃতিত্ব ঐসব স্টুডেন্টদের যারা আরামকে না বেছে সাহসের পথকে বেছে নিয়েছে। আপনিই হচ্ছেন কারণটি যা পরিবর্তন সংগঠিত করেছে।
প্রত্যেকে যারা এই মঞ্চ এ উঠেছেন ধন্যবাদ আপনাদের। আপনি শুধু আপনার নিজেকেই বদলাননি, আপনি অনুপ্রাণিত করেছেন আমাদের সবার মাঝে পরিবর্তন আনবার।
“আমরা যখন আমাদের নিজস্ব আলোতে জ্বলে উঠি, তখন অজান্তেই আমরা অন্য মানুষদেরকেও সেই অনুমতিটি দিয়ে দিই।” – মারিয়ান উইলিয়ামসন





