বার্ষিক দ্য স্টাইল সউক ফ্যাশন অ্যান্ড লাইফস্টাইল এক্সিবিশন

0

তরুণ উদ্যোক্তাদের পণ্য তুলে ধরতে রাজধানীর ধানমণ্ডির মাইডাস সেন্টারে বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) শুরু হয়েছে দুদিনের মেলা ‘দ্য স্টাইল সউক ফ্যাশন অ্যান্ড লাইফস্টাইল এক্সিবিশন। মাইডাসের ১২ তলার একপাশের বিশাল হলে ৩২ জন উদ্যোক্তা তাদের পণ্যের পসরা সাজিয়েছেন। মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত ৩০ ডিসেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত।

আয়োজক গাজী রহমান বলেন: শুধু কেনাকাটা করতেই নয়, প্রদর্শনী দেখতেও যেন ক্রেতা-শুভানুধ্যায়ীরা আসেন সেটাই আমাদের চাওয়া। যাদের সঙ্গে এতদিন অনলাইনে কথা হয়েছে, তাদের সঙ্গে সামনাসামনি আলাপও হয়ে যাবে। মূলত এর জন্যই এতোদিন ধরে মেলাগুলো আয়োজন করে আসছি। আর এটা এ বছরের শেষ মেলা, সবাই মিলে যেন আনন্দের সাথে বেচা-কেনা করতে পারে তাই এ মেলার আয়োজন করা।

উদ্যোক্তা আখি হক স্টল সাজিয়েছেন ওয়ান পিস, কুর্তি ও নিজস্ব ডিজাইনের ব্লেজারসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের পণ্য নিয়ে। মেলায় ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি বলেন, একসাথে হরেক রকম পণ্য নিয়ে সব স্টল সেজেছে। ক্রেতারা এসে নিজের পণ্য নিজেই পারচেজ করে নিয়ে যেতে পারবেন। আশা করছি যে বছরের শেষ মেলা আমাদের জন্য সফল হবে।

উদ্যোক্তা নুসরাত হাসান বলেন, ‘এ প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এ ধরনের মেলা তরুণদেরকে নিজের প্রতি আস্থা তৈরি করতে এবং তাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী করে একটা উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে বলে আমরা আশা করছি।’

চাঁদের পালকি পিঠা ঘরের স্বত্ত্বাধিকারী প্রিয়াঙ্কা তানহা বলেন,’আমরা মেলায় আসি প্রমোশনের জন্য, সেল তো থাকেই। পাশাপাশি আমাদের প্রচার-প্রসারও হয়। এটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি খাবারের আইটেম নিয়ে ব্যবসা করি। অনেক সময় আমি মেলাগুলো করে অনেক লাভবান হই, কারণ মেলায় ক্রেতা মেলে। এজন্য আমি মেলাগুলোতে অংশগ্রহণ করি। বছরের শেষে এ মেলায় অংশগ্রহণ করে আমি আনন্দ বোধ করছি, কারণ আমি এখানে অনেক সাড়া পাচ্ছি।’

মেলায় ঘুরতে এসে দর্শনার্থীরা জানান, মাইডাসের মেলাগুলো শুধু বিক্রেতাদের জন্যই লাভজনক নয়, ক্রেতাদের জন্যও একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম। মেলায় অনলাইনের পণ্যগুলো অফলাইনে পাওয়া যায়। আর ক্রেতারা যাচাই-বাছাই করে কিনে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।

মেলা ঘুরে দেখা গেছে, উদ্যোক্তারা নিজেদের তৈরি আকর্ষণীয় পণ্য নিয়ে স্টল সাজিয়েছেন। মেলায় রয়েছে দেশি-বিদেশি শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, জুয়েলারি, লেডিস পাঞ্জাবি, সুতি ও ব্লক প্রিন্টের থ্রিপিস, শো-পিস ও নারীদের নিত্যব্যবহার্য পণ্য। পাশাপাশি রয়েছে বাহারি খাবারের বিভিন্ন স্টল।

মেহনাজ খান,
উদ্যোক্তা বার্তা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here