নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ আইটি ইনভেস্টমেন্ট সামিট

0
8 / 100

নিউইয়র্কের ট্রাম্প ভবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ আইটি ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২২’।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ এর সভাপতিত্বে ১০ মে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক ও নাহিদ খান, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহিদুল ইসলাম এবং নিউইয়র্কে কনসাল জেনারেল মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের আইটি এবং আইটিইএস খাতের ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশে ব্যবসা করার সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে মেটা ভার্সন বা ভার্চুয়াল বিজনেস প্রেজেন্স প্ল্যাটফর্ম প্রবর্তন করা হচ্ছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক ব্যবসায়ীর পক্ষেই সরাসরি গিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। সে কারণে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে না গিয়ে বিদেশ থেকেই বাংলাদেশের মাটিতে ব্যবসা বা বিনিয়োগ করতে পারবেন।’

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিকনির্দেশনায় ২০২৫ সালের মধ্যে আইটি সেক্টরে ৩০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শতভাগ ই-সার্ভিস প্রদান, ২০৩১ সালের মধ্যে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক, অগ্রসরমান অর্থনীতি, উদ্ভাবনী ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং মাথাপিছু ১২ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষমাত্রা নিয়ে কাজ চলমান বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন ২০২১ অর্জন করেছি। আইসিটি সেক্টরে গত ১৩ বছরে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। দেশে ৯০ শতাংশ নাগরিক ই-সার্ভিসের আওতায় এসেছে। নানা উদ্যোগের ফলে ২০১০ সাল থেকে দেশের আইসিটি খাতে প্রবৃদ্ধির হার গড়ে ১০ শতাংশ করে বাড়ছে। আড়াই হাজারের বেশি স্টার্টআপ গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশই ডিজিটাল সেবাভিত্তিক ব্যবসা করছে। স্টার্টআপে বিনিয়োগ প্রায় সাড়ে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইটি/ আইটিইএস খাতে ২০ লাখের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। ডিজিটালকর্মীর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দ্বিতীয়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ডিজিটাল ডিভাইস রপ্তানিতে শীর্ষস্থানীয় দেশে পরিণত হবে।

সম্মেলনে প্রবাসী বাংলাদেশি মো. ববি বাংলাদেশের হাই-টেক পার্কে ১৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার ঘোষণা দেন।

ডেস্ক রিপোর্ট,
উদ্যোক্তা বার্তা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here