চীনে গত ৭০ বছরের বেশি সময় ধরে আয়োজন হয়ে আসছে কৃষি যন্ত্রপাতির মেলা। সারা পৃথিবী থেকে কৃষিযন্ত্র উৎপাদনকারী, প্রযুক্তিবিদ, উদ্ভাবক, কৃষি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ীসহ লাখো পর্যটক আসেন এই মেলায় অংশ নিতে।
চায়না অ্যাগ্রিকালচারাল ম্যাকানাইজেশন অ্যাসোসিয়েশন, চায়না অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাগ্রিকালচারাল মেশিনারি ম্যানুফ্যাকচারার এবং চায়না অ্যাগ্রিকালচার মেশিনারিজ ডিস্ট্রিবিউশন অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ আয়োজনে এবার চীনের চাংসায় দুই লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে এই মেলা বসে। চাংসার আন্তর্জাতিক এক্সপো সেন্টারে ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের প্রদর্শনীজুড়ে ছিল নানা কর্মকাণ্ড।
বিভিন্ন বিষয়ে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, গবেষণাপত্র উপস্থাপনে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী, গবেষক, কৃষিযন্ত্র ব্যবসায়ী, সমপ্রসারণকর্মী, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মী। স্টলে স্টলে এবার লক্ষ করার মতো ছিল স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির অংশগ্রহণ।
জলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধবিগ্রহের মতো বৈশ্বিক সংকট নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে কৃষি কার্যক্রমে। শহরের আগ্রাসনে কমে যাচ্ছে গ্রাম।
কৃষিবিমুখ হচ্ছে নতুন প্রজন্ম। তাই কম সময়ে স্বল্প লোকবল নিয়োগ করে সীমিত ভূমি থেকে বেশি উৎপাদন করতে প্রতিনিয়ত কাজ চলছে যান্ত্রিক কৃষির উৎকর্ষ নিয়ে। বৈশ্বিক কৃষিযন্ত্রের সঙ্গে কৃষক ও কৃষি বাণিজ্যে জড়িতদের পরিচয় করিয়ে দিতেই প্রতিবছর চীনে এই মেলার আয়োজন—এমনটাই বলছিলেন ক্যামডার ইন্টারন্যাশনাল ডিপার্টমেন্টের প্রধান আলেকজান্ডার সান। মেলার চত্বরে দাঁড়িয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হয়।
আলেকজান্ডার সান বলেন, ‘এ বছর মেলায় অংশ নিয়েছে প্রায় তিন হাজার।
ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি। এ ছাড়া ৫০ হাজারের মতো ব্যবসায়ী আর লাখ লাখ উদ্যোক্তা পর্যটক এসেছেন। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা মাথায় রেখে এবারের প্রতিপাদ্যে স্মার্ট কৃষির কথাই বলা হচ্ছে। মেলায় অটোমেটিক ট্রাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংবলিত মেশিনারিজ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে।’
কালের কন্ঠের সৌজন্যে









